কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯ এ ১১:৫৭ AM
কন্টেন্ট: পাতা
| সেক্টর | ভিশন-২০৪১ | কার্যক্রম | বর্তমান অবস্থা | কর্মপরিকল্পনা | মন্তব্য | ||
| স্বল্পমেয়াদী (২০১৮-২০২১) | মধ্যমেয়াদী (২০২২-২০৩০) | দীর্ঘমেয়াদী (২০৩১-২০৪১) | |||||
| বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) গাইবান্ধা জেলা | আধুনিক, টেকসই ও নিরাপদ সেচ ব্যবস্থাপনা | ১. সেচ কাজে ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি |
|
|
|
|
|
| ক) নদী, খাল, পুকুর, বিল ইত্যাদি পুনঃ খনন | ভূ-পরিস্থ পানির সংরক্ষণ, ভূ-গর্ভস্থ পানির রিচার্জ বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসণকল্পে জেলার খাস, মজা নদী, খাল, পুকুর, বিল ইত্যাদি পুনঃ খননের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। | 4০% | 65% | 100% | 300.00 কিঃ মিঃ সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা | ||
| খ) সেচ কাজে বৃষ্টি ও ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি | পুনঃ খননকৃত খাল, পুকুর, বিলে সংরক্ষিত বৃষ্টির পানি ও নদীতে এলএলপি স্থাপনের মাধ্যমে সেচ কাজে ভূ-পরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা। | 3০% | ৫5% | 100% | 200 টি এলএলপি স্থাপনের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা | ||
| 2. সেচ কাজে পানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি |
|
|
|
|
| ||
| ক) ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ | ভূমি ও পানির অপচয় রোধকল্পে অর্থাৎ সেচ দক্ষতা বৃদ্ধির নিমিত্তে প্রতিটি সেচ যন্ত্রে ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফিতা পাইপের ব্যবহার বৃদ্ধি করা। বর্তমানে 504 কিঃ মিঃ ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ করা হয়েছে এবং 300 মিঃ ফিতা পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে। | 3০% | 55% | 10০% | 50 টি সেচ যন্ত্রে 50 কিঃমিঃ ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা | ||
| খ) সেচ কাজে ফিতা পাইপের ব্যবহার | 3০% | 55% | 10০% | 5000 মিটার ফিতা পাইপ ব্যবহারের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা | |||
| গ) আধুনিক সেচ প্রযুক্তি ব্যবহার (স্প্রিংকলার, ড্রিপ ও ভ্যালি ইরিগেশন) | - | - | 10% | 30% | বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পূর্বক বর্নিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবজি জাতীয় ফসলে সেচ প্রদান করা সম্ভব | ||
| ঘ) স্মার্ট কার্ড বেইজম প্রি-পেইড মিটার ও টেলি মিটারিং সিস্টেম চালু করণ | সেচ ব্যবস্থাপণা আধুনিকায়ন, স্বল্প খরচে সেচ গ্রহণ ও সর্বোপরি সেচের পানির অপচয় রোধকল্পে স্মার্ট কার্ড বেইজম প্রি-পেইড মিটার ও টেলি মিটারিং সিস্টেম চালু করণ। বর্তমানে 504 টি সেচ যন্ত্রে প্রি-পেইড মিটার ও 60 টি টেলি মিটার স্থাপন করা হয়েছে। | 25% | 50% | 10০% | 504 টি সেচ যন্ত্র | ||
| 3. সেচ কাজে সৌর শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি | সেচ যন্ত্র পরিচালনার জন্য সৌরশক্তি চালিত পাম্প এর ব্যবহার বৃদ্ধি করা | 20% | 40% | 80% |
| ||
| 4. মাননীয় কৃষি মন্ত্রী মহোদয়ের উদ্ভাবন- সৌরশক্তি চালিত পাতকুয়া (Dugg Well) খনন | বরেন্দ্র এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-পরিস্থ পানির সমন্বিত (Conjunctive) ব্যবহার ও ভূ-গর্ভস্থ পানির অতিমাত্রা ব্যবহার সীমিত করণে খরা সহষ্ণিু ও স্বল্প পানি গ্রাহী ফসলে সেচ প্রদানের নিমিত্তে সৌরশক্তি চালিত পাতকুয়া (Dugg Well) খনন করা। | 40% | 70% | 100% | 100 টি পাতকুয়া (Dugg Well) খননের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা | ||
চলমান পাতা
পাতা নং- 02
| সেক্টর | ভিশন-২০৪১ | কার্যক্রম | বর্তমান অবস্থা | কর্মপরিকল্পনা | মন্তব্য | ||
| স্বল্পমেয়াদী (২০১৮-২০২১) | মধ্যমেয়াদী (২০২২-২০৩০) | দীর্ঘমেয়াদী (২০৩১-২০৪১) | |||||
| বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) গাইবান্ধা জেলা | আধুনিক, টেকসই ও নিরাপদ সেচ ব্যবস্থাপনা | 5. জলাবদ্ধতা নিরসণ ও কৃষি জমি পুনুরুদ্ধার | গাইবান্ধা জেলায় বিল ও অনেক জলাবদ্ধ এলাকা রয়েছে। খাল-খাড়ী ভরাট হয়ে যাওয়ায় প্রাকৃতিক পানি নির্গমণ পথ সংকুচিত হয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় অ-পরিকল্পিত ভাবে পুকুর খনন করায় কৃষি জমি জলাবদ্ধ জমিতে পরিণত হয়েছে। নিষ্কাশন নালার মাধ্যমে জলাবদ্ধ পানি নির্গমণের ব্যবস্থা করা হলে ঐসব এলাকা জলাবদ্ধতামুক্ত হয়ে কৃষি জমিতে রুপান্তরিত হবে। | 2০% | 45% | 8০% | 5000 হেক্টর সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা |
| 6. উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহণ ও বাজারজাত করণের লক্ষ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন | কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহণ ও বাজারজাত করণের লক্ষ্যে গ্রামীণ সড়ক পাকা করণ। |
|
|
|
| ||
| ক) গ্রামীণ সড়ক পাকা করণ | 10% | ২৫% | ৫০% |
| |||
| খ) পুনঃ খননকৃত খাল/নদীতে ফুট ওভার ব্রীজ নির্মাণ | ৫% | ৩০% | ৫০% |
| |||
| 7. রাবার ড্যাম নির্মাণ | নদীর পানি সেচ কাজে ব্যবহার ও মাছের অভয়াশ্রম সংরক্ষণের নিমিত্তে কালপানি নদীর কানাইখাল অংশে রাবার ড্যাম নির্মাণ | - | % | - | 01 টি | ||
| 8. বনায়ন | প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে পুনঃ খননকৃত নদী, খাল, পুকুর ও রাস্তা/বাঁধে বৃক্ষ রোপণ। বর্তমানে গাইবান্ধা জেলায় 1.50 লক্ষ বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। | 25% | ৪০% | 10০% | 1.5 লক্ষ বনায়নের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা | ||
| 9. কৃষক প্রশিক্ষণ | আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি সম্পর্কে কৃষক প্রশিক্ষণ প্রদান। বর্তমানে গাইবান্ধা জেলায় 300 জন কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। | ১0% | 45% | 10০% | 100 জন কৃষক প্রশিক্ষণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা | ||
| 10. উন্নত জাতের বীজ উৎপাদন ও বিপণন | গাইবান্ধা জেলায় প্রতি বছর বোরো মৌসুমে প্রায় 10 মেঃ টন ও আমন মৌসুমে প্রায় 5 মেঃ টন বীজ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। | 10% | ৪০% | ৮০% |
| ||
| ১1. বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ | স্থাপিত গভীর নলকূপ হতে গ্রামীণ জনপদে আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণ। বর্তমানে গাইবান্ধা জেলায় 5 টি স্থাপনার মাধ্যমে 5000 জন গ্রামীণ অধিবাসীকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। | ১5% | 40% | ৮০% | 5 টি খাবার পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা | ||